জিডি ঃ
জেনারেল ডায়েরী বা সাধারণ ডায়েরী। এই ডায়েরী হলো অপরাধ সংঘটনের আশংকাজনিত বিবরণ। যদি আশংকা করেন যে,কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে এবং আপনি আইনের সহায়তা চান,তাহলে উক্ত আশংকার বিবরণ দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবার জন্য থানায় দরখাস্ত দেয়াকেই জেনারেল ডায়েরী বা সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা বলে।
এজাহার বা এফ আই আর (ফাস্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) ঃ
অপরাধ সম্পর্কে থানায় প্রথম যে সংবাদ দেয়া হয় সেটাই এজাহার বা এফআইআর (ফাস্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) । এজাহার বা এফআইআর হচ্ছে ঘটনার লিখিত বিবরণ। এর ওপর ভিত্তি করেই তদন্ত কাজ শুরু হয়। এজাহার বা এফআইআর মৌখিকভাবে দেয়া যেতে পারে আবার লিখিতভাবেও দেয়া যেতে পারে।
চার্জশীট বা অভিযোগপত্র ঃ
মামলা তদন্তে যদি সাক্ষী ও সাক্ষ্য প্রমাণে প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়,তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীর বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার জন্য যে অভিযোগপত্র দাখিল করে তাকে চার্জশীট বা অভিযোগপত্র বলে।
ফাইনাল রিপোর্ট বা চুড়ান্ত রিপোর্ট ঃ
প্রাথমিক তদন্তে যদি সাক্ষী ও সাক্ষ্য প্রমাণে অপরাধ প্রমাণিত না হলে আসামীকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য সুপারিশ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা যে রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে তাকে ফাইনাল বা চুড়ান্ত রিপোর্ট বলে।
পুলিশ রিপোর্ট ঃ
অভিযোগপত্র ও চুড়ান্ত রিপোর্ট এই দুটো মিলেই তৈরি হয় পুলিশ রিপোর্ট।
সুরতহাল বা ইন কোয়েস্ট রিপোর্ট ঃ
হত্যা,আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনার কারণে কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে,এমন সংবাদ পেলে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাবেন। স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তিকে যে অবস্থায় দেখবেন,ইত্যাদি উল্লেখ করে আপাতদৃষ্টে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। এটিই সুরতহাল রিপোর্ট। তবে পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু হলে পুলিশ তার রিপোর্ট তৈরি করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করবে ম্যাজিস্ট্রেট।
ময়না তদন্ত বা পোষ্টমোর্টেম ঃ
স্বাভাবিক মৃত্যু নয় এই সন্দেহের উদ্রেক হলে,মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ফরেণসিক বিভাগ বা হাসপাতাল কর্তৃক নির্ধারিত মৃতদেহের যে পরীক্ষা করা হয় তাকে ময়না তদন্ত বা পোষ্ট মর্টেম বলে। এক্ষেত্রে চিকিৎসক পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মৃতদেহ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের চেষ্ঠা করেন।
ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা ঃ
ধর্ষিতা বা নির্যাতিতার যে ডাক্তারী পরীক্ষা করা হয়।
মামলা ঃ
মামলা সাধারণ ২ রকম। ফৌজজদারী ও দেওয়ানী। ফৌজদারী হলে থানায় মামলা করা ভাল। আর দেওয়ানী হলে আদালতে ভালো।
জেনারেল ডায়েরী বা সাধারণ ডায়েরী। এই ডায়েরী হলো অপরাধ সংঘটনের আশংকাজনিত বিবরণ। যদি আশংকা করেন যে,কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে এবং আপনি আইনের সহায়তা চান,তাহলে উক্ত আশংকার বিবরণ দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবার জন্য থানায় দরখাস্ত দেয়াকেই জেনারেল ডায়েরী বা সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা বলে।
এজাহার বা এফ আই আর (ফাস্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) ঃ
অপরাধ সম্পর্কে থানায় প্রথম যে সংবাদ দেয়া হয় সেটাই এজাহার বা এফআইআর (ফাস্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) । এজাহার বা এফআইআর হচ্ছে ঘটনার লিখিত বিবরণ। এর ওপর ভিত্তি করেই তদন্ত কাজ শুরু হয়। এজাহার বা এফআইআর মৌখিকভাবে দেয়া যেতে পারে আবার লিখিতভাবেও দেয়া যেতে পারে।
চার্জশীট বা অভিযোগপত্র ঃ
মামলা তদন্তে যদি সাক্ষী ও সাক্ষ্য প্রমাণে প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়,তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীর বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার জন্য যে অভিযোগপত্র দাখিল করে তাকে চার্জশীট বা অভিযোগপত্র বলে।
ফাইনাল রিপোর্ট বা চুড়ান্ত রিপোর্ট ঃ
প্রাথমিক তদন্তে যদি সাক্ষী ও সাক্ষ্য প্রমাণে অপরাধ প্রমাণিত না হলে আসামীকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য সুপারিশ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা যে রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে তাকে ফাইনাল বা চুড়ান্ত রিপোর্ট বলে।
পুলিশ রিপোর্ট ঃ
অভিযোগপত্র ও চুড়ান্ত রিপোর্ট এই দুটো মিলেই তৈরি হয় পুলিশ রিপোর্ট।
সুরতহাল বা ইন কোয়েস্ট রিপোর্ট ঃ
হত্যা,আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনার কারণে কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে,এমন সংবাদ পেলে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যাবেন। স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তিকে যে অবস্থায় দেখবেন,ইত্যাদি উল্লেখ করে আপাতদৃষ্টে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। এটিই সুরতহাল রিপোর্ট। তবে পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু হলে পুলিশ তার রিপোর্ট তৈরি করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করবে ম্যাজিস্ট্রেট।
ময়না তদন্ত বা পোষ্টমোর্টেম ঃ
স্বাভাবিক মৃত্যু নয় এই সন্দেহের উদ্রেক হলে,মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ফরেণসিক বিভাগ বা হাসপাতাল কর্তৃক নির্ধারিত মৃতদেহের যে পরীক্ষা করা হয় তাকে ময়না তদন্ত বা পোষ্ট মর্টেম বলে। এক্ষেত্রে চিকিৎসক পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মৃতদেহ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের চেষ্ঠা করেন।
ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা ঃ
ধর্ষিতা বা নির্যাতিতার যে ডাক্তারী পরীক্ষা করা হয়।
মামলা ঃ
মামলা সাধারণ ২ রকম। ফৌজজদারী ও দেওয়ানী। ফৌজদারী হলে থানায় মামলা করা ভাল। আর দেওয়ানী হলে আদালতে ভালো।
No comments:
Post a Comment